পোষ্ট আর্কাইভ

আমার প্রিয় ‘মা জননী’

লিখেছেন মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান, রাত ০৯: ৫৯, ১৪ মে, ২০১২

আমার প্রিয় ‘মা জননী’
আমার ভালবাসার চাদর!
হারিয়ে গেছে দূর অজানায়
হায়রে! পাইনে আর আদর।

এখন আমি একলা মনে
স্মৃতির জাবর কাটি।
‘মা’ বিহনে এ জীবনে
সবই যেন মাটি।।

আমার প্রিয় ‘মা জননী ‘
আমার সকল চাওয়া।
হারিয়ে গেছে দূর অজানায়
যাবেনা আর পাওয়া!

‘মা’ যে ছিল জিয়ন কাঠি
নিয়ন আলো ভোর;
‘মা’ বিহনে কোন কাজে
পাইনে মনে জোর।
=====

মা তুমি নেই বলে

লিখেছেন মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান, রাত ০৯: ৫৫, ১৩ মে, ২০১২

মা তুমি নেই বলে
এখনঃ
অজস্র স্মৃতি কথা ঝরে পরে আমার হৃদয়ের
কার্নিশ বেয়ে। মনে হয় নৈশব্দের জালেজড়িয়ে
গেছে আমার জীবন পৃথিবী, থেমে গেছে
জীবনের কোলাহল।

মা তুমি নেই বলে
এখনঃ
আমার সমুখে শুধু ধুসর সময়কাল। রাশি রাশি
ব্যথা আর বুকের যত ক্ষত- সব কিছু মিলে একাকী
এভাবেই কাটছে আমার এক একটি দুঃখময় কষ্টের
রাত, এক একটি ধুসর সময় প্রহর। মাগো!

কবিতার শরীর

লিখেছেন মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান, রাত ০৯: ৪৩, ০৯ মে, ২০১২

নিপুণ কলমে গড়া কবিতার শরীরে
যদি না রয়
ক্ষুদ্রের আড়াল ভেঙ্গে
বৃহতের পানে
অসীমের পথে
ছুটে চলার তৃষিত পথ
তবে
সে কবিতা হবে
প্রত্যয় বিহীন এক অস্পষ্ট প্রলাপ।

কবিতা যদি না হয়
অজ্ঞান-অনাহারের বিরুদ্ধে
শব্দের চাবুক
তবে
সে কবিতা হবে
নিঃসঙ্গ জীবনের এক গল্প
ইতস্তত বিচরণ প্রক্রিয়া
ইচ্ছার রক্তাক্ত চিৎকারঃ
নীরব-নির্জীব অস্তিত্বের এক অনর্থক প্রলাপ।

কবিতা যদি কভু
আঁকতে না পারে
রঙ্গিন আলোর প্রপাতঃ
জাদুর

চলো ধ্রুব হই

লিখেছেন মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান, সকাল ১০: ৫৬, ০৪ মে, ২০১২

হটাত শূন্যতা এলো-
সুপ্ত দানবের রুদ্র উত্থান হলো-
সে থেকে অনুতাপে জ্বলছি আমি!

স্বপ্নের শূন্যতা এলো-
অনন্ত মেঘের আঁধার হলো-
সে থেকে অন্ধকারে একা আমি!

ব্যর্থতার রোজনামচা লিখে-
গোপন কষ্টের ভাষা শিখে-
এখন আমি কাঁদছিঃ
পরাজিতের আর্তনাদে!

চারিদিকে ব্যর্থ হাহাকার শুনে-
হাজারো কষ্ট প্রহর গুণে-
পড়ে আছি আমিঃ
গহীন- গভীর খাদে!

হায় ব্যর্থতা!
হায় অপারগতা!
হায় অক্ষমতা!
ধিক, শতধিক তোমায়!

কিসের এতো গোপন কষ্ট?
নিজের কাছে নিজেই তো

মানুষের হাত থেকে মানুষকে বাঁচাও

লিখেছেন মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান, রাত ০৮: ৫১, ১৬ এপ্রিল, ২০১২

‘এখানে’
জন্মের আগেই হারিয়ে যায় গরীবের স্বপ্ন। বেকারত্বের
শক্ত তপ্ত শেকল আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধে
দুরন্ত যুবকের স্বপ্নগুলোকে। ক্রমাগত পরাজয়ে
পোড় খাওয়া যুবক বিষণ্ণতার রঙ্গে বিবর্ণ হয়। তথাকথিত
নীল রক্ত নতজানু করতে চায়
তাবৎ মানুষকে।
তাবৎ স্বপ্ন চিতায় পোড়ায় বটবৃক্ষ দাদু।।

‘এখানে’
শিকারির গুলির আওয়াজে ভাসে
নির্ঘাত অপমৃত্যুর ফরমান। নারী মাংশের
মনোজ্ঞ মন্দিরে নাচে আত্মমগ্ন ঐশ্বর্য

নব জীবনের মহোৎসবে মেতে

লিখেছেন মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান, রাত ০৯: ০৬, ১৪ এপ্রিল, ২০১২




'বৈশাখী উৎসবের এইদিনে'
নতুন জীবন, নতুন আলোর সন্ধানে
নামিবারে যদি চাও, হে পান্থজন! তবে
'এসো'
বৈষম্য- অসাম্য
বিবাদ- বিসম্বাদ
বিরোধ- বিভক্তি
জটিলতা- কুটিলতা
'ঝাড়ি'

দালালী- দলাদলি
হানাহানি- খুনোখুনি
পাপ-পঙ্কিলতা
জর-জবরি
অকর্ম- অধর্ম
'ছাড়ি'

শান্তি ও মিলনে
মিলন ও ভ্রাতৃত্বে
সৌহার্দ্য ও শুভাশিসে
ক্ষমা ও কল্যাণকামিতায়
প্রেম- প্রীতি- ভালবাসায়
'এসো'
প্রাণের তাগিদে বুনি-
নতুন জীবন গড়ার প্রত্যয়।
যেখানে- যেথায় রবেনা কোন ভয়।

শাসন নয়, শোষণ নয়
বিশ্বাসে ও বিশ্বস্ততায়
শুচিতায় ও শুভ্রতায়
নৈতিকতার শুদ্ধতায়
'এসো'
নিজেরে বাঁধি-
সামাজিকতার বাধনে;
সকলের কল্যাণ সাধনে।

আর

মানবের প্রয়োজনে

লিখেছেন মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান, বিকাল ০৫: ৫৬, ০৯ এপ্রিল, ২০১২

মনের দিগন্তে স্বপ্নের রঙধনু এঁকে
ধ্যানশীল কবি হয়ে কোন অলৌকিক কবিতাবাসে
যেতে চাইনা আমি। বলতে চাইনা আমি-
মনের দিগন্তে স্বপ্নের রঙধনু এঁকে
ধ্যানশীল কবি হয়ে কোন অলৌকিক কবিতাবাসে
যেতে চাইনা আমি। বলতে চাইনা আমি-
হে বিধাতা! কবি ভাগ্যে দাও 'হেমকান্ত মণি'
জাদুকরি আয়োজনে।

শব্দের কারুকাজে, বর্ণের অলংকারে, বাক্যের বিন্যাসে
লিরিক ব্যাঞ্জনায় নিপুন কলমে গড়তে চাই

সময় যদি ফুরোয়

লিখেছেন মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান, সকাল ০৮: ১২, ০৭ এপ্রিল, ২০১২

স্বপ্নরা যখন হারিয়ে যায়
আশারা তখন কাঁদে।
আশারা যখন ফুরিয়ে যায়
হতাশারা ঘর বাঁধে।

হতাশারা টানে আঁধারি জীবন
আঁধার আনে ধংস।
ধংস আনে জীবন পতন
স্বপ্নরা হয় নির্বংশ।

সুকোমল চিত্ত যায় মরে
সদিচ্ছাগুলো যায় ভেসে।
রোষে ভাঙ্গে বোধের দেয়াল
জগত ভরে বিদ্বেষে।

দীর্ঘশ্বাসের ঝড় উঠে
বুকের ভেতর, অন্তর কোণে।
জীবনটা হয় পাথর শেকল
কার কথা, কে শোনে?

উদ্বেগ ছুঁয়ে যায়-
অসহায় নিমজ্জনে।
স্নায়ু জুড়ে নামে নিম্নচাপ
ধীরে ধীরে, সন্তর্পণে।

বিন্দু

পুরাতন অন্বেষণে ও নতুনের আহ্বানে

লিখেছেন মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান, দুপুর ১২: ০৩, ০৬ এপ্রিল, ২০১২

আমার সোনার বাংলাদেশের
কোন ঘোর দুর্দিন দেখে
খুশিতে লাফিয়ে উঠে যখন
কোন রাজাকারের উত্তরসুরি
তখন অতি সাধারণ নাগরিক
'এই আমি'
নিজেকে শৃঙ্খলিত ভাবি
এই স্বাধীন স্বদেশে।

ওদের সীমাহীন বর্বর উচ্ছাসের
পোঁনঃপুনিকতায়-
আমি নির্বাক হই, লজ্জিত হইঃ
নিজেকে মানুষ ভেবে।
ব্যঘ্র জিজ্ঞাসায় বিপর্যস্ত হয়, বিকল হয়
আমার দেহ-মন।
কেননা
মেলাতে যে পারিনা আমি
হিসাবের সবটুকু জল।
বেদনায় চৌচির হয়ে যায় বুক। মলিন পাংশুবর্ণ মুখে
আমি তাকাই

অস্তিত্বের শেকড় টান

লিখেছেন মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান, সকাল ০৭: ৪৬, ০৬ এপ্রিল, ২০১২

যখন দেখি
আমার নির্ভেজাল নিশ্চুপ থাকার সুযোগে- সাম্প্রদায়িকতার
অনল টগবগ করে ফুটে আমার বাংলার সবুজ শ্যামলে ছায়া ঘেরা
জনপদের প্রান্তে- সীমান্তে। প্রতিহিংসার আগুনে পুড়ে ঐ 'ওরা' বিসর্জিত
করতে চায় আমার মুক্তিযুদ্ধের সমস্ত অর্জন।
তখন
অস্তিত্বের শেকড় টান পড়ে আমার সমস্ত দেহ-তনু-মনে। প্রমত্ত উল্লাসে
ঝড় উঠে আমার আগ্নেয়লাভা বুকে। এক মুঠো রুদ্ধশ্বাস সময়ও আমি আর
মানতে

আপনি মন্তব্য করেছেন