পবিত্র কোরআনে বর্ণিত যাদের উপর আল্লাহ অভিসম্পাত করেন

লিখেছেন শাহ মোহাম্মদ বিন আব্, সকাল ১০: ২৮, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১২


__সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে বাধা প্রদান যারা করেনা তাদের উপর আল্লাহর অভিশাপ:
**বনী ইস্রাইলের মধে যারা কাফির ছিল তাদের উপর লানত করা হয়েছিল ।দাউদ ও ঈসা ইবনে মারইয়ামের মুখে এ লানত একারনে করা হয়েছিল, যে তারা অবাধ্য ও আদেশ অমান্য করেছিলএবং সীমার বাহিরে চলে গিয়েছিল। তারা যে মন্দ

মৃত্যুর পর এক মুরতাদের শাস্তির ঘটনা

লিখেছেন শাহ মোহাম্মদ বিন আব্, সকাল ০৯: ৩২, ০৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১২


হযরত আনাস রাদিআল্লাহু আানহু থেকে বর্ণিত।তিনি বলেন:আমাদের মাঝে এক ব্যাক্তি ছিল যার সম্পর্ক ছিল নাজ্জার বংশের সাথে সে মুসলমান হয়ে সুরা বাকারা ও আল ইমরান পড়ত।সে নবী সাল্লা্ল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাতেবী ওহী (কোরআন লিখত কিছুদিন পর সে পলায়ন করে আহলে কিতাবদের সাথে গিয়ে মুরতাদ হয়ে আবার খ্রিষ্টান হয়ে গেল।সে বলত

অল্পে তুষ্টির একটা ঘটনা

লিখেছেন শাহ মোহাম্মদ বিন আব্, সকাল ১১: ১৪, ২৬ জানুয়ারী, ২০১২


খলীফা হারুনুর রশীদ যখন মসজিদে নববী যিয়ারতের উদ্দেশ্যে মদীনা মুনাওয়ারায় সফর করলেন:সেখানে গিয়ে ইমাম মালেকের উপর তার দৃষ্টি পড়ল ,যিনি সেখানে হাদীসের দারস দিতেন।খলীফা ইমাম মালিকের নিকট এসে বললেন:ইমাম মালেক !আমার ইসলামী জ্ঞান অর্জন করতে মন চায় আমি আপনার নিকট ইসলামী জ্ঞান অর্জন করব।আপনার পক্ষে কি সম্ভব যে,আপনি আমার ঘরে

জামাআতে নামায আদায়ের যত উপকারিতা

লিখেছেন শাহ মোহাম্মদ বিন আব্, সকাল ০৯: ৪১, ২১ জানুয়ারী, ২০১২


জামা‘আতে নামাযের উপকারিতা অনেক এবং তার বিরাট কল্যান রয়েছে, তার রয়েছে বিভিন্নমূখী উপকারিতা, যে কারণে ইসলামী শরীয়তে জামা‘আত ওয়াজিব করেছে। যে সকল উপকারিতা ও হিকমতের জন্য জামা‘আতে নামায আদায় করা শরীয়ত ওয়াজিব করেছে তন্মধ্যে কিছু নিম্নরূপ:
১/ এই উম্মতের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে সমবেত হওয়ার উত্তম বিধান আল্লাহ তা‘আলা নির্ধারণ করেছেন,

এমন রাষ্ট্র দিয়ে কি প্রয়োজন যার চেয়ে অধিক মূল্য এক টোক পানির।

লিখেছেন শাহ মোহাম্মদ বিন আব্, রাত ০৮: ১২, ১৫ জানুয়ারী, ২০১২


ইবনে সিমাক একজন বড় মুহাদ্দিস ছিলেন।তিনি একসময় দেখলেন যে,খলীফা হারুনুর রশীদ পানি পান করার পাত্র হাতে নিয়েছেন,পানির পাত্র মুখে লাগাবেন এমন সময় ইবনে সিমাক আওয়াজ দিয়ে বললেন,আমিরুল মুমিনীন !আল্লাহর কসম দিয়ে আমি আপনাকে বলছি পানি পান করা কিছুক্ষন বিরত থাকুন?খলীফা হারুনুর রশীদ যখন পানির পাত্র মাটিতে রাখলেন তখন ইবনে সিমাক

লুকমান হাকিম তার ছেলেকে উদ্দেশ্য করে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ

লিখেছেন শাহ মোহাম্মদ বিন আব্, সকাল ১০: ২২, ১১ জানুয়ারী, ২০১২


লুকমান হাকিম একদা তার ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলেন:’ তোমার প্রজ্ঞা অর্জন কতদূর হল? উত্তরে তিনি বললেন: আমার জন্য যা গুরুত্বপূর্ণ নয়, আমি তাতে মাথা ঘামাই না।‘ লুকমান হাকিম বললেন: হে আমার ছেলে! আরেকটি বিষয় বাকি রয়ে গেছে, আর তাহল, তুমি আলেমদের সাথে বসবে, ভিড় ঠেলে হলেও তাদের কাছে যাবে। কেননা আল্লাহ

সালাত আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ হিফাযত

লিখেছেন শাহ মোহাম্মদ বিন আব্, ভোর ০৪: ২৩, ১১ জানুয়ারী, ২০১২


যে ব্যক্তি সময়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে একাগ্রতার সাথে জামাআতে সালাত আদায় করে আল্লাহ তা‘আলা সেদিন তার হিফাযত করবেন, যেদিন অন্যান্য মানুষ ধ্বংস হয়ে যাবে।
উমর রা. অন্তিম শয্যায় শায়িত। তাঁর চোখ থেকে অশ্র“ প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি বললেন, তোমরা সালাতের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় কর। যে ব্যক্তি সালাত তরক করে ইসলামে তার

গুরত্বপূর্ণ উপদেশ সম্বলিত পাঁচটি জিনিষ

লিখেছেন শাহ মোহাম্মদ বিন আব্, দুপুর ১২: ২০, ০৯ জানুয়ারী, ২০১২


****আহার করোনা***
*অতিরিক্ত আহার করোনা.
*সবার সামনে আহার করোনা.
*ক্ষুধা না লাগা পর্যন্ত আহার করোনা.
*বাজারে দাড়িয়ে আহার করোনা.
*হারাম মাল আহার করোনা.
****যা আসে***
*অপব্যয়ের দরুন দরিদ্রতা .
*বড়দের সাহচর্যে জ্ঞান.
*পরনিন্দা করলে অসুস্হতা.
*বিপদাপদে ধর্যধারণ করলে শান্তি.
*ইয়াতীমের মাল অন্যায় ভাবে খেলে ধ্বংস.
****ভরসা করোনা**
*অপরিচিতা নারীর ভালবাসা.
*চাটুকারীর প্রশংসা.
*স্বার্থপর বন্দুকে
*প্রতিবেশীর মালের প্রতি.
*সুস্হতা ও জীবনের জন্য.
****প্রকাশ করোনা**
*অন্যের দোষ.
*গোপন পরিকল্পনা.
*ব্যবসা

অন্যায়ের পক্ষে তর্ক নিন্দনীয়

লিখেছেন শাহ মোহাম্মদ বিন আব্, দুপুর ১২: ৪০, ০৮ জানুয়ারী, ২০১২


মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। এ মানুষই শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে বিভিন্ন নিন্দনীয় কাজ করে। ইসলামের দৃষ্টিতে অন্যায়ের পক্ষে তর্ক করা ও নিন্দনীয় কাজ। অন্যায়ের পক্ষে তর্কের বিভিন্ন উদ্দেশ্য হতে পারে। যেমন বক্তা কিংবা লেখককে হেয় প্রতিপন্ন করে নিজেকে তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করা। অথবা বক্তা কিংবা লেখকের চেয়ে নিজের মতকে অগ্রগণ্য

জুমআর দিনের ইতিহাস

লিখেছেন শাহ মোহাম্মদ বিন আব্, সকাল ১০: ১৫, ০৬ জানুয়ারী, ২০১২


জুমআর দিন মহাআনন্দের এক সুন্দরতম পবিত্র দিন। সব দিনের শ্রেষ্ঠতম মর্যাদাপূর্ণ দিন। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এদিনটিকে তাঁর অশেষ রহমত ও বিশেষ নিয়ামত হিসেবে দান করেছেন।দিনটি মুসলমানের সমাবেশের দিন। তাই এদিনকে ‘ইয়াওমুল জুমআ’ বলা হয়। আল্লাহতায়ালা নভোমণ্ডল, ভূমণ্ডল ও সমস্ত জগৎকে ছয়দিনে সৃষ্টি করেছেন। এই ছয়দিনের শেষ দিন ছিল জুমার

আপনি মন্তব্য করেছেন