প্রিয় পোষ্ট

পোষ্ট আর্কাইভ

হে শিক্ষা গুরু

লিখেছেন সাদিক রুবেল , রাত ০৮: ৫১, ২৯ এপ্রিল, ২০১২

হে চির নন্দিত কারিগর
মানুষকে মানুষ গড়ায়
আঁধার ঘেরা হৃদয়ের প্রান্তে
জ্ঞানের আলো জ্বালাতে
আপনারে দিয়েছো বিসর্জন
নিবদ্ধ একাগ্র সাধনাতে।
হে মরমী দরদী তুমি
জ্ঞানের প্রদ্বীপ জ্বালি
পুড়িয়েছ মোদের বকল জড়তা
রাঙ্গিয়েছ আলোর শ্রোতে
সবটুকু ভালবাসা ঢালি।
শিক্ষা দিয়েছ পৃথিবীর পথে
চলিবার কৌশল
দিয়েছ দীক্ষা সত্যের পথে
কেমন রহিব অবিচল।
হে পুজনীয় হে সাধাক
তুমি মোর কাছে বহু দামী
তোমারি স্তবে হোক মোর পূণ্যে-যামি
হে চির নন্দিত

স্বাধীনতার ৪০ বছর

লিখেছেন সাদিক রুবেল , দুপুর ০২: ০৫, ২৬ এপ্রিল, ২০১২

স্বাধীনতার ৪০ বছর
হাঁটি হাঁটি পা পা করে কখন যে ৪০ বছরে
পা দিল আমরা বুঝতেই পারিনি
আমরা আন্দোদিত
আমরা গর্বিত,
আমরা অহংকারী বাঙলী
স্বাধীনতার ফিরে পাবার জন্যে
আমাদের অনেক প্রিয়জনকে হারাতে হয়েছে
হারিয়েও আমরা হার মানিনি
তাই আমরা গর্বিত বাঙালী
আজ আমাদের স্বাধীনতার ৪০ বছর।
মনে হচ্ছে সব কিছু যেন সেদিন হলো
কি ভাবে যে ৪০ বছর পেরিয়ে গেল বুঝতে

বন্ধু

লিখেছেন সাদিক রুবেল , বিকাল ০৪: ১২, ২১ এপ্রিল, ২০১২

মিষ্টি মাখা মুখখানি
চাঁদের হাসি
লিখিয়া জানাই বন্ধু
কত ভালবাসি
আমাকে ভুল বুঝে
ভুলিও না কিছু
নতুন আমদানী দেখে
ধরিওনা পিছু।
টিকে রাখ মোর দেয়া
পবিত্র মহান.
কে খন্ডাতে পারে
প্রবীন জোয়ান।
বাংলায় জন্মেছি আমি
বাংলার যুবক,
পরাজয় নাহি মানি
সাফল্যের ঘোষক।
পিছনের ফেলে আসা
দিন গুলো ছাড়ো.
সামনে এগিয়ে যাব
পথ বাকি আরো।

মুঠো ফোনে সংলাপ

লিখেছেন সাদিক রুবেল , সন্ধ্যা ০৬: ৪০, ২০ এপ্রিল, ২০১২

অনেক আগে ছিলাম ভাল
এখন কেন কষ্ট হলো
মধ্য রাতে মুঠো ফোনে
তোমার সাথে কথা বলে
হল সব কিছু এলো মেলো।
আমি সহ্য করি সবার কথা
যদিও পাই অনেক ব্যথা
তার পরেও বন্ধু
তোমার সাথেই থাকবো
তোমার জন্যই এসবিতে লেখবো।
জানি পড়বে না হয়তো।
তাই আমার মনের ভিতরের
ব্যথাগুলি লেখেই যাই।
যদি কোন একদিন চোখে পড়ে
সেই প্রত্যাশায় রইলাম।

বৈশাখী মেলা

লিখেছেন সাদিক রুবেল , দুপুর ১২: ১৩, ১৯ এপ্রিল, ২০১২

সকাল থেকে সাজ সাজ রব,
বৈশাখী মেলায় যাচ্ছে যে
আবাল বৃদ্ধা বণিতা এক সাথে
বৈশাখী মেলায় যাচ্ছে যে
ছেলের দল নেচে গান গেয়ে,
ঢোল বাজিয়ে গরুর গাড়ীতে চড়ে।
বৈশাখী মেলায় যেতে নেই যে
জাতী ভেদাভেদ।
এই মেলা যে এক মিলনের মেলা,
এই মেলা যে এক আনন্দের মেলা।
এই মেলে বাঙ্গালী জাতীর
হৃদয়ের মেলা
ভোড়ে ওঠে পান্ত ভাত আর
ইলিশ. শুটকি, পাটা

আলিবাবা ও চল্লিশ চোর

লিখেছেন সাদিক রুবেল , রাত ০৮: ০৫, ০৩ এপ্রিল, ২০১২

কাশেম আর আলিবাবা
এরা দুই ভাই,
ঘটনাটা বলছি খুলে
শুনুন সবাই।
কাশেম বড় ভাই আলিবাবার
সম্পত্তি করেছে দখল,
আলিবাবা কিছুই করেনি
ছেড়ে দিয়েছে সকল।
কাঠ কেটে আলিবাবার
সংসার কোনমতে চলে,
কষ্টে তার দিন কেটে যায়
কেউ নাই তার পে বলে।
একদিন আলিবাব কাঠ কাটতে
গভীর জঙ্গলে যায়,
চল্লিশ চোরের গুপ্ত ধনের
সন্ধান সে পায়।
বস্তা ভরে আনল আলিবাবা
অনেক টাকা সোনা।
সারা রাত চলল আলির
সেই টাকা গোনা।
কাশেম

বৈপরীত্য

লিখেছেন সাদিক রুবেল , সন্ধ্যা ০৭: ২৫, ২৭ মার্চ, ২০১২

তুমি খুব কাঁদাতে ভলোক্বাসো
আর আমি খুব দুঃখ পেতে ভালবাসি
আমি নিশিদিন কেবল কেঁদেছি
ছুঁয়েছি নদীর তীর, রুক্ষ মৃত্তিকা,
সোনালী ধানক্ষেত. বিস্তৃত শরবন
বুকের ভেতর জমিয়ে রেখেছি মেঘ,
মেঘের উতস,ভেজা নীলাকাশ,
বজ্র ও বজ্রের গর্জন
সহস্র নদী জন্ম নিয়েছে এই চোখে
নীঃসীম তরঙ্গ কেটে কেটে
দূরের আলোর সন্ধানে
ছুটে চলে কত লঞ্চ, স্টীমার, ট্রলার,
জেলেদের নৌকা, জাহাজ-সাম্পান!
তুমি খুব হাসতে ভালোবাসো
আর আমি

অনুভব

লিখেছেন সাদিক রুবেল , বিকাল ০৩: ০৪, ২৫ মার্চ, ২০১২

আকাশ দেখেছ!
দেখেছ কি তার বিশলতা?
দেখৈছি আমি
পেয়েছি খুঁজে মেঘের ভাজে তার উদারতা।
বৃষ্টি দেখছ!
দেখছ কি তার ঝড়ে পড়া?
দেখছি আমি পেয়েছি খুঁজে তার বিষন্নতা
চাঁদ দেখছ!
দেখেছ কি চাঁদের রাতের মায়া?
দেখেছি আমি
পেয়েছি খুঁজে স্নিগ্ধ তৃপ্ততা
প্রেম বিরহ দেখেছ!
দেখেছ কি তার মায়া মমতা ও ব্যথা
পেয়েছি দেখেছি
না পায়ার যন্তণা হতাশা আর গঞ্জনা।
বেকরত্ব দেখেছ!
দেখেছি তার প্রাপ্ত পেয়েছি তার

খোকার পণ

লিখেছেন সাদিক রুবেল , বিকাল ০৪: ১৮, ২৩ মার্চ, ২০১২

পড়া-লিখা শিখে আমি হব মহাজ্ঞানী
তাইনা দেখে দেশ-মাটি ধন্য হবে জানি।
ধোকা খেয়ে বোকা সেজে ররই নাকো আর
গুরুজনে ভক্তি দেবো করি অঙ্গীকার।
ছোট যারা পাবে তারা স্নেহ-ভালবাসা
সত্যবাদী হবো বলে মনে বড় আশা।
কভু যেন কটু কথা আর না মুখে আসে
দুস্থ জনে দেখে মোরে, দুঃখ তুলে হাসে।
মিথ্যে যেথা ছায়া ফেলে সত্য যেথা নাই
বীর বেশে

আলো প্রহারে

লিখেছেন সাদিক রুবেল , বিকাল ০৩: ৫০, ২২ মার্চ, ২০১২

নতুন আলোর বুকে
ঘাসের বিছনায় ঝরা শেফালী
দুঃসহ বেদনায় হাঁফ ছেড়ে বাঁচে।
নিরালা দুপুর বেলা
একলা বসে আছি পুকুর পাড়ে
বুকের ভিতর রোদ্রছায়া খেলা করে
এই মধ্য দুপুরে পদ্মপুকুরে।
সেই বিহঙ্গে বুকে দীর্ঘশ্বাস
ছুয়ে আছে সেইদিন থেকে আজ অবধি।
প্রত্যাশায় ফাগুন
ফাগুন ভালোবাসায় এখন ছেয়ে যায়
আমার হৃদয় আঙ্গিনা
নিঃশব্দে আলোর প্রহারে।
বুকে বাজ অনন্ত জীবনের
আশা ও ভালোবাসা।
দুখের বসতি এখন
গন্ধ জোতস্নায় জেগে

আপনি মন্তব্য করেছেন